চুলের বৃদ্ধির জন্য গাজরের রস কীভাবে ব্যবহার করবেন?

5
(1)

১। গাজরের তেল:

চুলের বৃদ্ধির জন্য গাজরের রস কীভাবে ব্যবহার করবেন?

চুলের বৃদ্ধির জন্য গাজরের রস কীভাবে ব্যবহার করবেন?

গাজরের তেল দিয়ে আপনার মাথা ম্যাসাজ করা আপনার চুলের যত্নের রুটিনে এই উপাদানটি অন্তর্ভুক্ত করার সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়। গাজরের তেল আপনার চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি যোগায়। এই প্রতিকারে অলিভ অয়েলও রয়েছে যা আপনার চুলের অবস্থার উন্নতি করতে পারে এবং চুলের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করতে পারে। আপনি এই তেলটি প্রচুর পরিমাণে তৈরি করতে পারেন এবং কয়েক মাস ধরে এটি সংরক্ষণ করতে পারেন।

উপকরণ:

১ টি গাজর
জলপাই তেল
গ্রেটার
কাচের জার

পদ্ধতি:

একটি গাজর কষিয়ে একটি কাচের রাজমণ্ডলিতে রাখুন।
জার মধ্যে জলপাই তেল ঢালা যতক্ষণ না এটি পূর্ণ হয় এবং ঢকনা বন্ধ করুন।
এই জারটি এক সপ্তাহের জন্য একটি অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন।
তেল কমলা হয়ে গেলে তেল ছেঁকে নিয়ে পরিষ্কার পাত্রে স্থানান্তর করুন।
শ্যাম্পু দিয়ে ধোয়ার ৩০ মিনিট আগে এই তেলটি আপনার মাথার ত্বকে এবং চুলে ম্যাসাজ করুন।

আপনার কতবার এটি করা উচিত
সপ্তাহে একবার এই রুটিন অনুসরণ করুন।

২। গাজর, দই, এবং কলা হেয়ার মাস্ক:

গাজর, দই এবং কলা চুলের মাস্ক ভাঙ্গন রোধ করতে পারে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে। এটি আপনার চুলকে নরম এবং পরিচালনাযোগ্যও করতে পারে। এটি উপাদানগুলির বিভিন্ন পুষ্টির জন্য দায়ী করা যেতে পারে। এই দিকটিতে সরাসরি গবেষণার অভাব রয়েছে।

উপকরণ:

১ টি গাজর
২ টেবিল চামচ দই
১ টি কলা

পদ্ধতি:

একটি গাজর এবং একটি কলা ছোট টুকরো করে কেটে নিন।
এগুলো দুই টেবিল চামচ দই সহ একটি ফুড প্রসেসরে ব্লেন্ড করুন।
এই হেয়ার মাস্কটি পুরো চুলে লাগান, শাওয়ার ক্যাপ পরুন এবং ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আপনার কতবার এটি করা উচিত
সপ্তাহে একবার এই রুটিন অনুসরণ করুন।

৩। গাজরের রস, অলিভ অয়েল, পেঁয়াজের রস, এবং লেবুর রস হেয়ার মাস্ক:

এই মাস্কের গাজর এবং অলিভ অয়েল যথাক্রমে চুলের বৃদ্ধি এবং আপনার চুলের অবস্থা উন্নত করে। অন্যদিকে পেঁয়াজের রস চুলের ফলিকলকে পুষ্ট করে। এটি চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। লেবুর রস ভিটামিন সি দ্বারা পরিপূর্ণ, যা কোলাজেন বৃদ্ধি করে। কোলাজেন চুলের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করতে পারে, কিন্তু এই সত্যটি প্রতিষ্ঠার জন্য পর্যাপ্ত গবেষণা নেই।

উপকরণ:

১ গাজর
২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল
১ টি পেঁয়াজ
২ টেবিল চামচ লেবুর রস

পদ্ধতি:

একটি গাজর এবং একটি পেঁয়াজ ছোট টুকরো করে কেটে ফুড প্রসেসরে ব্লেন্ড করুন।
এই পেস্টে দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
এই হেয়ার মাস্কটি লাগান এবং ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আপনার কতবার এটি করা উচিত

সপ্তাহে একবার এই রুটিন অনুসরণ করুন।

৪। গাজর, অ্যাভোকাডো, এবং মধু চুলের মাস্ক:

গাজর এবং অ্যাভোকাডো বেশ কয়েকটি ভিটামিন, প্রোটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করে যা আপনার মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগায় এবং স্বাস্থ্যকর চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মুখোশের মধু আপনার চুলকে ময়শ্চারাইজ করে এবং চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে। এটিতে চুলের কন্ডিশনিং প্রভাবও রয়েছে।

উপকরণ:

২ টি গাজর
১/২ অ্যাভোকাডো
২ টেবিল চামচ মধু

পদ্ধতি:

দুটি গাজর ছোট টুকরো করে কেটে নিন। অর্ধেক অ্যাভোকাডোর সাথে, টুকরোগুলো একটি পেস্টে ব্লেন্ড করুন।
এই মিশ্রণে দুই টেবিল চামচ মধু মেশান যতক্ষণ না আপনি একটি মসৃণ ধারাবাহিকতা অর্জন করেন।
এই পেস্টটি আপনার চুল এবং মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন এবং ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আপনার কতবার এটি করা উচিত
সপ্তাহে একবার এই রুটিন অনুসরণ করুন।

৫। গাজর এবং নারকেল তেল হেয়ার মাস্ক:

নারকেল তেল একটি চমৎকার ময়েশ্চারাইজার যা আপনার মাথার ত্বককে হাইড্রেট করে এবং আপনার চুলকে নরম করে তোলে । সংমিশ্রণে, গাজর চুলের বৃদ্ধি এবং চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে।

উপকরণ:

১ টি গাজর
২ টেবিল চামচ নারকেল তেল

পদ্ধতি:

একটি গাজরকে ছোট টুকরো করে কেটে ফুড প্রসেসরে ব্লেন্ড করে নিন।
দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল মেশান যতক্ষণ না আপনার পুরু পেস্ট থাকে।
এই মাস্কটি আপনার মাথার ত্বকে এবং চুলে লাগান এবং ২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আপনার কতবার এটি করা উচিত
সপ্তাহে একবার এই রুটিন অনুসরণ করুন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 1

No votes so far! Be the first to rate this post.

We are sorry that this post was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve this post?

Add Comment